মুহাম্মাদ (সা.) দোয়ায় ১৫শ বছর জীবিত পবিত্র সাহাবী গাছ । Historical Trees । History of Sahabi Tree

মুহাম্মাদ (সা.) দোয়ায় ১৫শ বছর জীবিত পবিত্র সাহাবী গাছ



মুহাম্মাদ (সা.) দোয়ায় ১৫শ বছর জীবিত পবিত্র সাহাবী গাছ । Historical Trees । History of Sahabi Tree
সাহাবী গাছ ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া

মুহাম্মাদ (সা.) দোয়ায় ১৫শ বছর জীবিত পবিত্র সাহাবী গাছ, ছোটবেলায় চাচা আবু তালিবের সঙ্গে ব্যবসার কাজে মক্কা থেকে সিরিয়া গিয়েছিলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামমরুভূমির উত্তপ্ত মাটিতে ক্লান্ত হয়ে পাতাহীন একটি গাছের ছায়ায় দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি, মুহূর্তে গাছটিতে পাতা জন্মায়, এসময় গাছটির জন্য দোয়াও করেন মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।



আশ্চর্যের কথা হচ্ছেএখনও বেঁচে আছে সেই গাছ, গাছটি অবস্থা জর্ডানের সাফা এলাকায়, বৈজ্ঞানিক কোনও ব্যাখ্যা না থাকলেও স্থানীয়রা বলছেনআল্লাহর রহমতে আজ ও বেঁচে আছে গাছটি।


মুহাম্মাদ (সা.) দোয়ায় ১৫শ বছর জীবিত পবিত্র সাহাবী গাছ । Historical Trees । History of Sahabi Tree
সাহাবী গাছ ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া



১৫শ বছর ধরে মরুভূমির বুকে দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহাসিক সাহাবী গাছ। স্থানীয়দের মতেগাছটির ছায়া নিয়েছেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। সে সময়েই গাছের জন্য দোয়া করেছিলেন তিনি। সেই থেকে এখনও বেঁচে আছে গাছটিঅবিশ্বাস্য এই গাছের অবস্থান জর্ডানের মরুভূমির প্রত্যন্ত সাফা এলাকায়।



আশে পাশের 100 বর্গকিলোমিটারে কোনো গাছের অস্তিত্ব না থাকলেও 15শ বছর ধরে দাঁড়িয়ে আছে সাহাবী গাছ নামে পরিচিতি পাওয়া এই গাছ,কথিত আছে 12 বছর বয়সে চাচা আবু তালিবের সঙ্গে মক্কা থেকে সামদেশ বা বর্তমানের সিরিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আসলাম, বিস্তীর্ণ মরুভূমির পথে দীর্ঘ যাত্রায় ক্লান্ত হয়ে পড়েন তিনি, এ সময় বিশ্রামের জন্য ছায়া খোঁজেন মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। 



বিশ্রামের যথাযথ জায়গা না পেয়ে জর্ডানের সাফা এলাকার একটি পাতাহীন বৃক্ষের নিচে অবস্থান নেন মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, তখনই সবুজ পাতায় ভরে যায় গাছটি, এই গাছের নীচেই নিজের শরীরের ক্লান্তি দূর করেন হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।



স্থানীয়দের দাবিমহানবীর দোয়ার কারণেই এখনো বেঁচে আছে গাছটিগাছটি সহ আশপাশের এলাকাকে পবিত্র স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন জর্ডানের বাদশা দ্বিতীয় আব্দুল্লাহ, এলাকা টিকে বিশেষভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থাও করেন তিনি, প্রতিদিন গাছটি দেখতে ভিড় করেন হাজারো মানুষ, ঈদ এবং বিশেষ দিনে মানুষের উপস্থিতি থাকে সাহাবী গাছটির কাছে।



এক সময় গাছের ডালপালা ছিঁড়ে তাবিজ বানানো শুরু করেন দর্শনার্থীরা, কল্যাণের আশায় গাছের নীচে নামাজও পড়তেন অনেকে, সব ধরনের শখ বন্ধে গাছটির চারপাশে লোহার বেষ্টনীর ব্যবস্থা করেছে জর্ডান সরকার, দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্যে চারপাশে দৃষ্টিনন্দন রাস্তাও নির্মাণ করেছেন জর্ডানের সরকার।



ইসলামিক মিডিয়া






Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.